আজ-  ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ১৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» ক্যাম্পাসে নোংরা ছাত্র রাজনীতির প্রভাবে শিক্ষার অবনতি ঘটেছে : ছাত্র জমিয়তের আলোচনা সভায় গোলাম আম্বিয়া কয়েছ  «» শ্রীমঙ্গলে আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের পরিচিতি সভা «» মনুমুখ স্কুলে প্রধান শিক্ষক, আইনজীবী মৌলভীবাজার অঞ্চলের স্থানীয় শালিসির বিচারক শ্রী শ্রী ফনিন্দ কুমার ভট্টাচার্য, «» গাছ কাটছি মানে আমরা নিজেদেরই হত্যা করছি «» তরুণ ও শিক্ষার্থীদের অতুলনীয় আদর্শ মহানবী সা.: ছাত্র জমিয়ত সিলেট জেলা উত্তর  «» ‎ঈদে মীলাদুন্নবী সা. উপলক্ষ্যে তালামীযে ইসলামিয়ার ‘মুবারক র‌্যালি’ সম্পন্ন : সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ।  «» আদমদিঘী উপজেলা প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা কমিটির  মাসিক  সভা অনুষ্ঠিত  «» মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আলাউর রহমান চৌধুরী আর নেই, মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’র «» শমশেরনগরে ঈদে মীলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষে প্রচার মিছিল সম্পন্ন «» কমলগঞ্জের কুমড়াকাপনে ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষে মোবারক র‌্যালি, প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

মৌলভীবাজারের সাবেক জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ঘুষের টাকাসহ দুদকের হাতে ধরা পড়েছেন রংপুরে

মৌলভীবাজারের সাবেক জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে দুদকের হাতে ধরা পড়েছেন রংপুরে । তিনি মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা থাকাকালে নিজেকে জমিদার এবং সাধারণ নাগরিকদেরকে তার প্রজা হিসাবে গণ্য করতেন । সাধারণ নাগরিকদের সাথে তার আচরণ ছিল ঔদ্ধত্যপূর্ণ । বিশেষকরে মিথ্যা বলার জন্য তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার পাবার সুযোগ্য । মিথ্যে বলে এবং ঘুষের জন্য হয়রানী করেছেন অনেক শিক্ষককে । তাই, সদা আতংকিত ছিলেন শিক্ষকরা । সেই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে দুদকের হাতে ধরা পড়ার খবর জেনে মিষ্টি খেয়ে আনন্দ প্রকাশ করছেন শিক্ষকরা । শিক্ষকদের এ আনন্দ প্রকাশ যে সেই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের প্রতি ক্ষোভেরই বহি:প্রকাশ তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা ।
কিন্তু, কথা হচ্ছে- সেই সিরাজুল ইসলাম মৌলভীবাজার থেকে বদলী হবার পর থেকে যারাই এসেছেন ও বদলী হয়েছেন এবং বর্তমানে যারা আছেন তারা সবাই-ই একেকজন সিরাজুল ইসলাম বললে কমই বলা হবে । প্রকৃতপক্ষে, মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগে কর্মরত প্রত্যেক কর্মকর্তাই সেই সিরাজুল ইসলামের মতো একেকজন সিরাজুল ইসলাম । ঘুষের জন্য সিরাজুল ইসলামের সমপর্যায়ের হলেও, ঔদ্ধত্যের জন্য সিরাজুল ইসলামের চেয়ে একধাপ এগিয়ে আছেন মৌলভীবাজারের সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কিশোর চক্রবর্ত্তী । একইভাবে, ঘুষের জন্য সিরাজুল ইসলামের সমপর্যায়ের হলেও, মিথ্যা বলার জন্য সিরাজুল ইসলামের চেয়ে একধাপ এগিয়ে আছেন মারুফ আহমদ চৌধুরী । এছাড়া, প্রত্যেক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের অবস্থাও তথৈবচ । এককথায়- মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগে কর্মরত প্রত্যেক কর্মকর্তার প্রতিটি পশমে পশমে দূর্ণীতি, দূর্ণীতি আর দূর্ণীতি । মৌলভীবাজার জেলার শিক্ষকরা চাকরী হারানোর ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাননা । কারণ, এদের দূর্ণীতির প্রতিবাদ করলে চাকরী হারাতে হবে । এর প্রমানও আছে । কাজেই এরা ধরা পড়বে কিভাবে ? কবে ?